বাংলাদেশ ▣ ই-পেপার
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের ঘাঁটিগুলো থেকে নীরবে সেনা সরাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

October 22, 2026 Ibrahim Khan Sadat 0 মন্তব্য 26 বার পঠিত

মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে যুক্তরাষ্ট্র নীরবে সেনা সরিয়ে নিতে শুরু করেছে। সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার এমন তথ্য জানিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম এনবিসি নিউজ। আঞ্চলিক কয়েকটি কূটনৈতিক মিশন থেকে কর্মীদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়ার মধ্যেই এমন খবর সামনে এলো।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের সময়ও ঘাঁটিগুলো থেকে সেনাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবার নতুন করে হামলার কথা বিবেচনা করছেন। সূত্ররা বুধবার এনবিসিকে জানায়, সেনা প্রত্যাহারের পদক্ষেপটি গত ফেব্রুয়ারিতে প্রথম দফা হামলার আগে পেন্টাগন ও পররাষ্ট্র দপ্তরের নেওয়া প্রস্তুতির মতো।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জর্ডান, কাতার ও কুয়েতে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের অন্য স্থানে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। তবে ঘাঁটিগুলোতে সীমিতসংখ্যক সেনা রাখা হবে। এর মধ্যে আকাশ প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা আছেন।

ইরানের পাল্টা আঘাতের কথা বিবেচনায় গত ২৮ ফেব্রুয়ারির আগে ঝুঁকিপূর্ণ ঘাঁটিগুলো থেকে বিপুলসংখ্যক সেনা সরিয়ে নিয়েছিল পেন্টাগন। কয়েক হাজার সেনা বেসামরিক হোটেল ও অফিস ভবনে আশ্রয় নিয়েছিলেন। তেহরান তখন অভিযোগ করেছিল, আবাসিক এলাকায় সেনা ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ওয়াশিংটন উপসাগরীয় অঞ্চলের সাধারণ নাগরিকদের ‘মানবঢাল’ হিসেবে ব্যবহার করছে।

সেনা সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র টিমোথি হকিন্স। তিনি বলেন, সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে নিয়মিত সেনাদের অবস্থান পরিবর্তন করা হয়।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম মিত্র দেশ সৌদি আরব থেকে সম্প্রতি কূটনৈতিক মিশনের অপ্রয়োজনীয় কর্মী ও তাদের পরিবারকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর। ইয়েমেনের হুতিদের হামলার মুখে এমন নির্দেশ দেওয়া হয়।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাতে জানিয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের আরও কয়েকটি স্থান থেকে কূটনৈতিক কর্মীদের সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে ওয়াশিংটন। তবে পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট বলেছেন, এ ধরনের খবর সঠিক নয়।

সংবাদটি শেয়ার করুনআপনার পছন্দের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিন
Facebook X WhatsApp Telegram
পাঠকের মতামত

মন্তব্য করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *