বাংলাদেশ ▣ ই-পেপার
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

ইসরায়েলে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের আহ্বান জানালেন ম্যাক্রোঁ

October 6, 2024 Ibrahim Khan Sadat 0 মন্তব্য 28 বার পঠিত

প্রায় এক বছর ধরে গাজায় বোমা হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এর মধ্যেই সম্প্রতি লেবাননেও সামরিক অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। এ অবস্থায় ইসরায়েলের কাছে অস্ত্র সরবরাহ নিষিদ্ধের আহ্বান জানিয়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

স্থানীয় সময় ৫ অক্টোবর, শনিবার ফ্রান্স ইন্টারকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে ম্যাক্রোঁ বলেন, আমি মনে করি যে আজ আমাদের অগ্রাধিকার হলো একটি রাজনৈতিক সমাধানে ফিরে যাওয়া। গাজায় যুদ্ধের জন্য অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে হবে।

একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন যে, বর্তমানে ফ্রান্স ইসরায়েলকে কোনো ধরনের অস্ত্র সরবরাহ করছে না।

যদিও ফ্রান্স ইসরায়েলের অস্ত্র সরবরাহকারী শীর্ষ স্থানীয় দেশ নয়। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দেশ এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে গাজার সংঘাত বন্ধে একটি রাজনৈতিক সমাধানে পৌঁছানোর আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার মধ্যে তারা গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রাখতে সক্ষম।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে ইসরায়েলকে আংশিক অস্ত্র সরবরাহ স্থগিত করার ঘোষণা দেয় যুক্তরাজ্য। এসব অস্ত্র আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের লঙ্ঘন করতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই দেশটি এই পদক্ষেপ নিয়েছিল।

ম্যাক্রোঁ বলছেন, এই সংঘাতের কারণে হিংসা-বিদ্বেষ ছড়িয়ে পড়ছে। একই সঙ্গে লেবাননে সামরিক অভিযানের জন্য সেনা মোতায়েনে নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্তের সমালোচনাও করেছেন তিনি।

তবে ম্যাক্রোঁর এ আহ্বানের কড়া সমালোচনা করেছেন ইসরায়েলের যুদ্ধবাজ প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। খবর বিবিসির।

তিনি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর এই আহবান ‘অপমানজনক’।

নেতানিয়াহু দাবি করেন, ইসরায়েল নিজেকে রক্ষার জন্য ‘সভ্যতার শত্রুদের’ সঙ্গে সাতটি ফ্রন্টে একসঙ্গে লড়াই করছে।

নেতানিয়াহু বলেন, সব ‘সভ্য’ দেশকে ইসরায়েলের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানো উচিত। পরিপূর্ণভাবে সারা বিশ্বে স্থিতিশীলতা, শান্তি ও নিরাপত্তা ফিরে না আসা পর্যন্ত আগ্রাসন অব্যাহত রাখা উচিত বলে তিনি উল্লেখ করেন।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে আচমকা হামলা চালায় হামাস। এরপর থেকেই অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। তাদের হামলায় এ পর্যন্ত গাজায় ৪২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। সেইসাথে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন উপত্যকার ২৩ লাখ মানুষ। বর্তমানে গাজা উপত্যকার বাসিন্দারা খাদ্য এবং চিকিৎসা সংকটে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুনআপনার পছন্দের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিন
Facebook X WhatsApp Telegram
পাঠকের মতামত

মন্তব্য করুন

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *