ভোট উৎসব কাল। দেখে মনে হচ্ছে অনেকটা ভিন্ন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ভোট আয়োজন। সরব ভোটের টার্গেটে ভোটারদের নিরবতা লক্ষর্নীয়। এই ভোট উৎসব অত্যন্ত শান্তপূর্ণভাবে সম্পন্নে কঠোর নিরাপত্তায় গ্রহন করছে সিলেটে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
ভোটকেন্দ্র থেকে শুরু করে নির্বাচনী এলাকায় থাকছে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেট মহানগর পুলিশ সাত নির্দেশনা জারি করেছে। পুলিশের এই নির্দেশনা যথাযথ পালন করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। একই সাথে কেউ পুলিশের নির্দেশনা না মানলে তার বিরুদ্ধে নেয়া হবে কঠোর আইনী ব্যবস্থা। ভোটের দিন থেকে শুরু করে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত (ভোটের পর দুই দিন) মাঠে তৎপর থাকবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তারা মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, অপরাধ প্রতিরোধ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে এসব তথ্য সম্বলিত একটি বিজ্ঞপ্তি গণমাধ্যেমে প্রেরণ করেন সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী। পুলিশের নির্দেশনা হচ্ছে, কোন নির্দিষ্ট নির্বাচনী এলাকার ভোটার অন্য কোন নির্বাচনী এলাকার কোন ভোটকেন্দ্রের আশপাশে ঘোরাফেরা করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে কোন ভোটারকে অন্য কোন নির্বাচনী এলাকার ভোটকেন্দ্রের আশপাশে পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে নেয়া হবে আইনী ব্যবস্থা।
এছাড়া কোন ভোটারকে কোন ব্যক্তি কিংবা গোষ্ঠী ভোটকেন্দ্রে যেতে বাঁধা দেয়া এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের তথ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে নেয়া হবে কঠোর আইনী ব্যবস্থা। ভোট দেয়ার পর ভোট কেন্দ্রের আশপাশে না থাকার জন্য ভোটারদের অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ।
অনুমোদন বিহীন যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ নিষেধ। সেই সাথে নির্বাচনী আইন অনুসারে ভোটারদের মুখমন্ডল প্রদর্শনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এক্ষেত্রে নিয়ম মোতাবেক মুখমন্ডল প্রদর্শন না করে পরিস্থিতি ঘোলাটে কিংবা ভোটের লাইনে সৃষ্টি করা যাবে না।
একই সাথে উস্কানিমূলক কোন বক্তব্যে কান না দেয়ার পাশাপাশি যাচাইবিহীন কোন তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার না করা। ভোটের দিন সন্দেহভাজন কোন ব্যক্তি, বস্তু বা পরিস্থিতি লক্ষ্য করলে সাথে সাথে পুলিশ, নিকটস্থ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে যোগাযোগ করা। সেই সাথে নির্বাচনকালিন সার্বক্ষনিক নাগরিক সুরক্ষা পেতে সিলেট মহানগর পুলিশের জরুরি সেবা জিনিয়াএ অ্যাপ ব্যবহার করা অথবা হটলাইন নাম্বার ০১৩৩৯-৯১১৭৪২ সরাসরি ফোন করা।
